ইরি কাউন্টির ২০২৭ সালের বাজেটে ব্যয় বাড়ছে ৫.৫ শতাংশ

নিউইয়র্ক স্টেটের ইরি কাউন্টির ২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে চলতি বছরের তুলনায় প্রায় ১২৫ মিলিয়ন ডলার বা ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলার অতিরিক্ত ব্যয় হবে। ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বাজেটের আকার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কাউন্টির নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক পোলোনকার্জ। তবে ট্যাক্সদাতারা পর্যাপ্ত ট্যাক্স-সুবিধা পাবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকেরা।

প্রস্তাবিত বাজেটে কাউন্টির জেনারেল ফান্ডের ব্যয় ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ক্রমবর্ধমান ব্যয় সামাল দেওয়ার পাশাপাশি করের বোঝা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পোলোনকার্জ।

তিনি বলেন, “২০২৭ সালের বাজেটটি অত্যন্ত সীমিত পরিসরে তৈরি করা হয়েছে। এটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও ন্যায্য বাজেট। এতে বাড়তি কোনো সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়নি।”

প্রস্তাবিত বাজেটে সম্পত্তি ট্যাক্স থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১২ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তবে কাউন্টি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতি এক হাজার ডলার মূল্যায়িত সম্পত্তির বিপরীতে ট্যাক্সের হার ৩ দশমিক ৯ ডলার থেকে কমিয়ে ৩ দশমিক ১ ডলার করা হবে।

পোলোনকার্জ বলেন, ট্যাক্সের হার কমানো হলেও প্রত্যেক বাড়ির মালিকের ট্যাক্সের পরিমাণ কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো বাড়ির মূল্যায়িত সম্পত্তির মূল্য অপরিবর্তিত থাকলে মালিককে গত বছরের তুলনায় কম কাউন্টি সম্পত্তি টাক্স দিতে হবে। কিন্তু সম্পত্তির মূল্যায়ন বেড়ে গেলে ট্যাক্সের হার কমার পরও কারও কারও ট্যাক্সের পরিমাণ বাড়তে পারে।

তিনি বলেন, “আমরা ট্যাক্সের হার কমিয়েছি। তবে সম্পত্তির মূল্যায়ন কতটা বাড়বে, তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।”

কাউন্টির বাজেট ও ব্যবস্থাপনা দপ্তরের পরিচালক মার্ক কর্নেল জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে ৪২ মিলিয়ন ডলার ব্যয় কমানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। বিভিন্ন দপ্তর থেকে আরও বেশি অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ এলেও ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কর্নেল বলেন, মূল্যস্ফীতি ও অন্যান্য খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কাউন্টির ওপর আর্থিক চাপ বাড়ছে। বিক্রয় টাক্স থেকে কাউন্টির যে রাজস্ব আয় হচ্ছে, তার পুরো সুবিধাই ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

কাউন্টি কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রস্তাবিত বাজেট নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের নির্ধারিত টাক্সসীমার মধ্যেই রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য সরকারের বিভিন্ন ব্যয়ের দায় বাড়লে কাউন্টির আর্থিক চাপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কর্মকর্তারা।

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কাউন্টি আইনসভায় প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা করা হবে। নভেম্বরে বাজেটবিষয়ক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ডিসেম্বরের শুরুতে বাজেট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

 

Related posts

IRS Sets Strict Deadline for Claiming Old Tax Refunds

Queens Ranks Second in NY Foreclosure Risk

ট্রাম্পকে ‘বিপজ্জনক ও উন্মাদ’ বললেন কংগ্রেসম্যান টিম কেনেডি