ইসরায়েলের দেওয়া ভুয়া খবরেই ইরানের ভয়ে খাবারের ট্রাকে করে পালান ট্রাম্প

ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় তুরস্ক সফর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গোপনে একটি ছোট সামরিক বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইসরায়েল থেকে পাওয়া একটি সতর্কবার্তার ভিত্তিতেই এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ওয়াশিংটন পোস্ট, এনপিআর ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাত দিয়ে এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে ট্রাম্পের ব্যবহৃত এয়ার ফোর্স ওয়ানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি রয়েছে বলে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসকে সতর্ক করে ইসরায়েল। তবে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের একটি অংশ ওই তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাদের মতে, সতর্কবার্তাটি একক উৎসের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছিল এবং এর পক্ষে অন্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তারপরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ট্রাম্পকে মূল বিমান থেকে সরিয়ে একটি ছোট সামরিক বিমানে গোপনে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় তাকে ক্যাটারিং বা খাবার সরবরাহের গাড়ির আড়ালে বিমানে নেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম এ বিকল্প বিমান ব্যবহারের তথ্য প্রকাশ করে। ট্রাম্পও পরে জানান, তিনি সিক্রেট সার্ভিসের নির্দেশনা অনুসরণ করেছিলেন।

তুরস্কের নিরাপত্তা সংস্থাও বিষয়টি তদন্ত করে আঙ্কারায় ট্রাম্পকে হত্যার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার প্রমাণ পায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে, ট্রাম্পকে গোপনে অন্য বিমানে সরিয়ে নেওয়া হলেও পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক কর্মকর্তাদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট মূল এয়ার ফোর্স ওয়ানেই ছিলেন। বিমান পরিবর্তনের ঘটনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সিদ্ধান্তে ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

Related posts

দীর্ঘ ২৩ বছর পর ইরাক থেকে সব সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানো সমগ্র মানবজাতির যৌথ দায়িত্ব: এরদোয়ান

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম