দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা—কবে আবার জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যাবে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজাকে? নানা জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই এ বিষয়ে আশাবাদী বার্তা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—মাঠে ফেরার আগে আইনি জটিলতা নিষ্পত্তি করাই হবে প্রধান শর্ত।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পল্লবী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাকিব ও মাশরাফি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা তিনি নিজেও প্রত্যক্ষ করেছেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলো রাষ্ট্রীয় বিষয়, যা আইন অনুযায়ী মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে। “একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে আমার বিশ্বাস, তারা আইন মেনে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবেন। আইনি বাধা কাটিয়ে মাঠে ফেরার পরিস্থিতি তৈরি হলে আমরা অবশ্যই তাদের স্বাগত জানাব। এ ক্ষেত্রে সরকার নমনীয় থাকবে,” বলেন প্রতিমন্ত্রী।
সম্প্রতি বোর্ড সভা শেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাকিবের ফেরার প্রসঙ্গ আনুষ্ঠানিকভাবে তোলে। আগামী ১১ মার্চ ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজে তাকে দেখা যেতে পারে বলেও আভাস মিলেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে কার্যত আড়ালে চলে যান সাবেক দুই অধিনায়ক। ২০২৪ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান সফরে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর আর লাল-সবুজের জার্সিতে তাকে দেখা যায়নি। মামলার কারণে দেশেও ফেরেননি তিনি।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে জনসম্মুখে খুব একটা দেখা যায়নি মাশরাফি বিন মুর্তজাকেও। ফলে দুই তারকার ভবিষ্যৎ ঘিরে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।